চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় শতাধিক কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে পড়েছে। অবকাঠামোগত ক্ষতি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, পানির পাম্প, আসবাবপত্র ও টয়লেট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এখন চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অনুপযোগী। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকৌশল বিভাগে পাঠিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, চট্টগ্রামে ৫২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে বন্যায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০টি নতুন করে নির্মাণ করতে হবে এবং বাকিগুলো জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার প্রয়োজন। এছাড়া সাতকানিয়া ও আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বন্যায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সরকারি ওষুধ সরবরাহে অচলাবস্থার কারণে সারা দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবর্তে আলাদা ট্রাস্টের অধীনে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার প্রক্রিয়ায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অপারেশন প্ল্যান পরিবর্তনের কারণে সব কিছু গুছিয়ে উঠতে সময় লাগছে। কমিউনিটি ক্লিনিক এখন আলাদা ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর তালিকা তৈরি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকৌশল বিভাগে পাঠানো হয়েছে।