বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে বীজ, সার ও গবাদিপশুর ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে বীজ, সার ও গবাদিপশুর ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পৌঁছায় এবং এ জন্য তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অতীতের মতো কোনো অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে টিকা পাওয়া পশুগুলোকেও নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পুনরায় টিকা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারির যে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়, তা বিবেচনায় নিয়েই সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও বলেন, সরকারি সহায়তা কার্যক্রমে কোথাও অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।