চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনত্রুটির কারণে ফেনী স্টেশনে আটকা পড়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা। ফেনী স্টেশনে প্রবেশ করতেই হঠাৎ করে ইঞ্জিনের ‘ট্যাবলেট কভার’ থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। ৫ ঘণ্টা পর ইঞ্জিন পরিবর্তন করে ট্রেনটি পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়।
ধোঁয়ার মধ্যে ইঞ্জিন মেরামত করতে গিয়ে ট্রেনের এক সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ এএলএম মোহাম্মদ কাওসারকে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান রেলকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রায় আটশত যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি আটকে থাকে।
ফেনী রেলস্টেশন কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে ফেনী স্টেশনে প্রবেশ করে। এসময় ট্রেনের ইঞ্জিনের ছোট ছোট চেম্বারের ঢাকনা, যেগুলো ‘ট্যাবলেট কভার’ নামে পরিচিত, সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। এএলএম মোহাম্মদ কাওসার সেটি দেখে কাছে গেলে ধোঁয়ায় তার মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে ট্রেনটি আটকে পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
ফেনী রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার মোহাম্মদ হারুন বলেন, চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রিলিফ ট্রেন এসে ইঞ্জিন আলাদা করে দিলে ট্রেনটি পুনরায় ছেড়ে চলে যায়। যাত্রীদের ধৈর্য ধরার জন্য মাইকিং করা হয়। ফেনী থেকে যেসব যাত্রী এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের অনেকেই ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর করে অন্য পরিবহনে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লেন স্বাভাবিক থাকায় অন্য ট্রেনগুলোর চলাচলে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই ইঞ্জিনের এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।