বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

অবশেষে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বীকৃতি পেল ‘আবৃত্তি’

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৫

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বীকৃতি লাভ করেছে বাঙালি সংস্কৃতি ও শুদ্ধ ভাষা চর্চার প্রধান অনুষঙ্গ ‘আবৃত্তি’।

আজ, শুক্রবার, সকালে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ চূড়ান্তভাবে পাস হয়েছে। সংসদে বিলটি পাসের মধ্য দিয়ে আবৃত্তি শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভক্ত হল।

সংসদে বিলটি পাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য- সাঈদ আল নোমান।

সাঈদ আল নোমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আবৃত্তির কারণে জীবনের দৃষ্টিভঙ্গিতে বহু উৎকর্ষতা আসে, যা ব্যক্তিজীবনকে ছাপিয়ে সমগ্র জাতির সহজাত চিন্তাশীলতায় গুণগত প্রভাব ও পরিবর্তন আনে। ‘আবৃত্তি’কে বাদ দিয়ে আমাদের সংস্কৃতিই যেন অসম্পূর্ণ। তাই যে দ্রুততার সাথে আমার লিখিত অনুরোধটি চিফ হুইপ মহোদয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী সাড়া দিয়ে আবৃত্তিকে একটি স্বতন্ত্র একাডেমিক বিভাগের অংশ হিসেবে সন্নিবেশিত করলেন। সেইজন্য আমি আর আমার মতো লক্ষ লক্ষ সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ আজ কৃতজ্ঞ।”

তিনি আরও বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের উত্তরাধিকার বহনকারী এই রাষ্ট্রে আবৃত্তিকে যথাযথ মর্যাদা প্রদান করা ছিল সময়ের দাবি। এই সিদ্ধান্তের ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে শুদ্ধ ভাষা ও নন্দন তত্ত্বের চর্চা আরও বেগবান হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ‘বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্প রক্ষা কণ্ঠ’-সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী ও আবৃত্তিপ্রেমীরা আবৃত্তিকে শিল্পকলা একাডেমিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ‘নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস’ বিভাগটি পরিমার্জন করে নতুন ভাবে- “আবৃত্তি, নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস’ বিভাগ করা হয়েছে।

সংসদে বিলটি পাস হওয়ার পর সারাদেশের আবৃত্তিশিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও আবৃত্তিপ্রেমীরা মধ্যে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

পূর্বতারা/ ইউডি

ভিডিও