শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড়, প্রাণ ফিরে পেয়েছে সমুদ্রসৈকত

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৬, ০২:২০

পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির ব্যস্ততা কাটতে না কাটতেই দেশের শীর্ষ পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারে বেড়েছে পর্যটকের আনাগোনা। ঈদের ছুটি উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত।

শুক্রবার ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী ও দরিয়ানগর সৈকত এলাকায় পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা যায়। শনিবারও ছিলো পর্যাপ্ত উপস্থিতি। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে ভিজে সময় কাটাচ্ছেন, কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতের বালুচরে হাঁটছেন। অনেকেই স্মরণীয় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত ছিলেন।

পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের শুরুতে কোরবানির ব্যস্ততার কারণে পর্যটকের সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল। তবে ছুটির বাকি দিনগুলোকে সামনে রেখে পর্যটকের আগমন দ্রুত বাড়ছে। হোটেল ও রিসোর্টগুলোতেও বুকিংয়ের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কক্সবাজারের হোটেল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, “ঈদের প্রথম দিকে অতিথি কম ছিল। তবে শুক্রবার থেকে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। আগামী কয়েক দিনে অধিকাংশ আবাসন পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করছি।”

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটক সাবিহা রহমান বলেন, “ব্যস্ততার মধ্যে ঈদের পর একটু অবসর সময় পেয়েছি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে সমুদ্রের পাশে সময় কাটানো সত্যিই দারুণ অনুভূতি।”

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক লাল পতাকা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি লাইফগার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের নিরাপদে ভ্রমণ উপভোগের আহ্বান জানিয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।

ভিডিও