চলতি বছরের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যবাহী কন্টেইনারে আমদানি-রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ১১ টিইইউ, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩৭ হাজার টিইইউ কম।
ব্যবসায়ীদের মতে, শ্রমিক-কর্মচারীদের কয়েক দফা ধর্মঘটে অন্তত সাত দিন পণ্য ওঠানামা বন্ধ ছিল। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন অনিশ্চয়তায় ব্যবসায়ীরাও সতর্ক অবস্থান নেন। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে কার্যক্রমে কিছুটা গতি ফিরেছে।
বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা একটা অস্থির সময় পার করেছি। নির্বাচনের কারণেও অনেক অর্ডার ডিলে হয়েছে। বর্তমান আরএমজি খাতের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে বন্দরের হ্যান্ডলিং কমা স্বাভাবিক।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, স্টেকহোল্ডাররা তাদের সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের আওতায় কন্টেইনার ও জাহাজ হ্যান্ডলিংসহ যেসব বিষয়ে সম্ভব, সেখানে আমরা সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে কাজ করছি।