চট্টগ্রামের তালিকাভু্ক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার সহযোগী ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম ও তার গাড়িচালক আবুল কামাল আজাদকে দুটি বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে র্যাব।
নগরীর আরেফিন নগর এলাকার বায়েজিদ লিঙ্ক রোড থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ নিয়ে বুধবার র্যাব-৭ চান্দগাঁও ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে র্যাব-৭।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, অস্ত্র কেনাবেচার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইকরামকে আরেফিন নগর এলাকার বায়েজিদ লিঙ্ক রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে গাড়িচালক আবুল কালামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইকরামের কাছ থেকে ৭ পয়েন্ট ৬৫ বোরের দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের স্কুল ছাত্রী তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পর ইকরাম পালিয়ে ভারত হয়ে দুবাই চলে যান। সেখানে গিয়ে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ ও সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার সঙ্গে সখ্যতা হয়। ওই সময় বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে কাজ করতেন সরোয়ার বাবলা। পরবর্তীতে বড় সাজ্জাদ আর সরোয়ার বাবলার মধ্যে বিচ্ছেদ হলে ইকরাম ও সরোয়ার বাবলা একসাথে গ্রুপ গড়েন। এ গ্রুপে আরেক সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবরও যুক্ত ছিলেন। গতবছর ২৩ মে রাতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঢাকাইয়া আকবরকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে। দুইদিন পর ২৫ মে তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, সরোয়ার বাবলার অনুপস্থিতিতে বড় সাজ্জাদ তার বাহিনীর দায়িত্ব দেন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে। এখান থেকেই ছোট সাজ্জাদের গ্রুপের সাথে সরোয়ার বাবলা গ্রুপের দ্বন্দ্বের শুরু। সরোয়ার বাবলা গতবছর ৫ নভেম্বর বায়েজিদ চালিতাতলী এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থীর জনসংযোগে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।
সর্বশেষ গতকাল সরোয়ার বাবলার সহযোগী ইকরাম ও তার গাড়িচালককে আবুল কামাল আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
এদিকে ইকরাবের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত গাড়ি চালক আবুল কামাল আজাদকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইকরামের চাঁদার টাকা তার চালক তুলতেন বলে র্যাবের ভাষ্য।