টানা সাত দিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করা মাদার ভেসেল থেকে আমদানি পণ্য খালাস কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে আবহাওয়ার উন্নতি এবং বৃষ্টি না থাকায় লাইটার জাহাজগুলো বহির্নোঙরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পরে দুপুর থেকে পুরোদমে পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।
এর আগে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তাল সাগর এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের জারি করা ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতের কারণে গত ৭ জুলাই থেকে বহির্নোঙরে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমদানি পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হয়।
বাংলাদেশ বার্থ অপারেটরস অ্যান্ড শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হোসেন সাগর বলেন, পরশুদিন ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রত্যাহারের পর থেকেই আমরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করি। কিন্তু সাগর তখনও উত্তাল থাকায় গতকালও বড় পরিসরে পণ্য খালাস সম্ভব হয়নি। তবে কয়েকটি জাহাজ থেকে স্ক্র্যাপ ও ভোজ্যতেল খালাস করা হয়েছে।
এদিকে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের মুখপাত্র পারভেজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শ্রমিক ও লাইটার জাহাজগুলো কাজে যোগ দিয়েছে। গতকাল নতুন করে সাতটি মাদার ভেসেলের জন্য লাইটার জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর আগে অনেক জাহাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া থাকায় আজ নতুন করে কোনো বরাদ্দের প্রয়োজন হয়নি।বর্তমানে বহির্নোঙরে ৬০টি মাদার ভেসেল অবস্থান করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম জানান, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার করায় আজ সকাল থেকে পূর্ণমাত্রায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।