দিল্লিতে আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যবসায়ী নুরুল আমিন সোহাগের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর বারোকোয়াটার সংলগ্ন লেকভিউ আবাসিক এলাকায় জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে আবাসিক এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। গতকাল শনিবার রাতে সোহেলের মরদেহ চট্টগ্রাম এসে পৌঁছে।
গত ৩ জুন ভারতের দিল্লিতে ফ্লোরিশ স্টে বি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান চট্টগ্রামের সোহাগ। আগেরদিন ২ জুন বোনের জামাই মোশাররফের চিকিৎসার জন্য সোহাগসহ পাঁচজন ভারতে পৌঁছেছিলেন। ওই ঘটনায় সোহাগসহ নিহত হয়েছেন ২১ জন।
সোহাগের বোন রেহেনা আকতার মুন্নী, মুন্নীর বর মোশাররফ হোসেনসহ বাকি চারজন গুরুতর আহত অবস্থায় দিল্লির হাসপাতালে এখন চিকিৎসাধীন। বাকি দুজন হলেন মোশাররফের চাচাতো বোন উম্মে জোহরা ও তার মেয়ে উম্মে সায়রা।
সোহাগের বোনের জামাই কবির আহমেদ বাচ্চু জানান, ঘটনার দিন সোহাগ মারা যান। বাকিদের মধ্যে মুন্নীর অবস্থা বেশি খারাপ। সোহাগের মরদেহ গতকাল শনিবার রাতে চট্টগ্রাম আসে। আজ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোহাগদের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। তার বাবার নাম আবদুস সোবাহান, মা রোকেয়া বেগম। স্ত্রী ফারজানা ফেরদৌস, ছেলের নাম মো. আরাফ।
পূর্বতারা/ইউডি