বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জলাবদ্ধতা নিরসনে নগর চষে বেড়াচ্ছেন মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ৩ মে ২০২৬, ০৪:৩৯

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর ৪১ ওয়ার্ড চষে বেড়াচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। দিনরাত এক করে তিনি এখন পড়ে রয়েছেন খাল-নালা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে। চলমান বর্ষা মৌসুমে যাতে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে তুলনামূলক স্বস্তিতে রাখা যায় সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছেন তিনি।

গত কয়েকদিন ধরে মেয়র রুটিন করে নগরীর বিভিন্ন খালে দেয়া বাঁধ অপসারণ ও নালা-নর্দমা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সশরীরে তদারক করছেন।

রবিবার (৩ মে) মেয়র নগরীর ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী, ২৯ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ী ও ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে পরিচালিত জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরবর্তীতে তিনি নগরীর প্রবর্তক মোড়ে হিজড়া খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে চলমান কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। বৃষ্টির মধ্যে কাকভেজা হয়ে তিনি প্রকৌশলীদের সাথে নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার চলমান কার্যক্রম তদারক করেন।

মেয়র বলেন, আমি আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ এলাকায় গুলজার খাল পরিদর্শন করেছি। সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেট নির্মাণকাজের কারণে অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছে। যার কারণে সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াসহ আশপাশের কিছু এলাকায় পানি জমে সাময়িক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য তিনি এলাকাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

মেয়র আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্লুইস গেট নির্মাণ শেষ হলে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজও চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “গত বছর আমরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসনে সফল হয়েছি। চলমান খাল সংস্কার ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজ শেষ হলে নগরবাসী আরও সুফল পাবে।”

পূর্বতারা/ইউডি

ভিডিও