ঈদুল ফিতরের সাতদিনের ছুটিতে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গতি ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে সোমবার পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে ৫৪ হাজার ৮৯৮ টিইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে বন্দর। এই সময়ে প্রায় ২৫ লাখ ৮ হাজার ৬১৪ টন কার্গো এবং ৬৪টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।
বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফাত হামিম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দর তার অপারেশনাল সক্ষমতা বজায় রেখেছে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে পণ্য খালাস ও জাহাজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
‘‘ঈদের দিন শনিবারে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও পরের দুইদিনে জাহাজ ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং বাড়তে থাকে। সকল স্টেক হোল্ডার এবং বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।”
বন্দরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সাতদিনে মোট ২৫ লাখ ৮ হাজার ৬১৪ টন কার্গো (খোলাপণ্য) হ্যান্ডলিং হযেছে। এর মধ্যে আমদানি পণ্য ছিল ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৬ টন এবং রপ্তানি হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮২৮ টন। গত বুধবারে একদিনে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৪ টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়।
অন্যদিকে একইসময়ে ৫৪ হাজার ৮৯৮ টিইউএস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের) কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে, যার মধ্যে আমদানিকৃত কন্টেইনারের সংখ্যা ২৮ হাজার ৯৬১ টিইউএস এবং রপ্তানি কন্টেইনারের সংখ্যা ২৫ হাজার ৯৩৭ টিইউএস।গত ১৮ মার্চ সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৮৬১ টিইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়।
ঈদের এ ছুটিতে বন্দরে মোট ৬৪টি হাজাজ বার্থিং ও হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ ১৪টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়।
বন্দর সচিব বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কারণে জাহাজের অপেক্ষমান সময় বাড়লেও বর্তমানে তা শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্দরের ইয়ার্ডে ৫৯ হাজার টিইউএস ধারণক্ষমতার বিপরীতে মঙ্গলবারে ৪৩ হাজার ২০০ টিইউএস কন্টেইনার রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫৮১ টিইউএস ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে।