ভোটারদেরকে বাগে আনতে বিএনপির প্রার্থী-সমর্থকরাও নগদ টাকা বিতরণসহ নানা কৌশল অবলম্বন করে চলেছেন। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে শুরু হওয়া এ টাকা বিতরণের ঘটনায় প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টাকা বিতরণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকসহ নগদ টাকা উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে।
বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের চন্দনাইশ এলাকায় টাকা বিতরণের সময় স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন এহসান মোল্লা নামে এক ব্যক্তি। স্থানীয়দের অভিযোগ, এহসান মোল্লা বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের পক্ষে নগদ টাকা বিতরণ করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
আগের দিন মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে চন্দনাইশ উপজেলার আবদুল বারিহাট এলাকা থেকে ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকাসহ একটি মাইক্রোবাস জব্দ করেছে সেনাবাহিনী।
টাকা জব্দ করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, একটি মাইক্রোবাসের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তিকে ঘিরে রয়েছেন সেনাসদস্যরা। ওই ব্যক্তি টাকা গুনছেন। এ সময় একজন ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান। টাকা গুনতে থাকা ব্যক্তি উত্তরে জানান, তিনি মিজানুল হক চৌধুরীর ‘এস্টেট ম্যানেজার’।
চন্দনাইশ থানার ওসি মো. ইলিয়াছ খান বলেন, রাত দেড়টার দিকে এসব টাকা ও মাইক্রোবাসটি থানায় হস্তান্তর করেছে সেনাবাহিনী। উদ্ধারকৃত টাকা ও মাইক্রোবাসটি থানা হেফাজতে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের পক্ষে টাকা বিতরণের আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়-‘দোহাজারী পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক ইফতেখার উদ্দিন সুমন জসিম উদ্দিন আহমেদের পক্ষ থেকে একটি মসজিদ কমিটির কাছে ৫ লাখ টাকা হস্তান্তর করছেন। এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়-জসিম উদ্দিন আহমেদ মসজিদটিতে ৫ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করেছিলেন। সেই টাকা দোহাজারী পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক ইফতেখার উদ্দিন সুমন মারফতে হস্তান্তর করা হচ্ছে।’