চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মাদক কারবারে পুলিশের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নিঝুম খান। তিনি দাবি করেছেন, সন্দ্বীপ থানার ‘১২ জন এসআই’ সরাসরি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।
বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
বক্তব্যে নিঝুম খানকে বলতে শোনা যায়, পুরো সন্দ্বীপ থানা মাদকের সাথে জড়িত হয়ে গেছে। সন্দ্বীপের ১২ জন এসআই সরাসরি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমরা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলি। কিন্তু আমি যদি নিজেই মাদক ব্যবসা করি, আমি যদি সন্ত্রাস লালন করি, তাহলে মাদক বন্ধ করব কীভাবে? আজকে আমাদের বিএনপির অনেক ভালো ভালো ছেলে মাদকে জড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
অভিযোগের ভিত্তি প্রসঙ্গে নিঝুম খান বলেন, সন্দ্বীপ থানায় ১২ জন এসআই হয়তো এ মুহূর্তে কর্মরত নেই। তবে আমি বলতে চেয়েছিলাম,ওসি ছাড়া থানার সবাই মাদক বিস্তারে জড়িত। মাদকের থাবায় আমাদের যুবসমাজের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।বিএনপির জেলা নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, উপজেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের এবং সদস্য সচিব আলমগীর হোসাইন ঠাকুরের নেতৃত্বে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা গেলে সন্দ্বীপ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে।
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসাইন ঠাকুর এ বিষয়ে বলেন,”যুবদল নেতা মাদক নির্মূলে পুলিশের কাছ থেকে কাঙ্খিত সহযোগিতা না পাওয়ার কথা বলেছেন”।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার বলেন, সন্দ্বীপ থানায় বর্তমানে আটজন এসআই কর্মরত আছেন। ১২ জন এসআই থানায় নেই। এ বিষয়ে আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
পূর্বতারা/ইউডি/আরইউ