,

 

আবাসিক ভবনের অনুমোদনে হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নেই পার্কিং সুবিধা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : 7 August 2026, 12:16

চট্টগ্রাম নগরীর অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এর সঙ্গে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকায় সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে এবং সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানান, নগরীর প্রায় ৮০ শতাংশ বেসরকারি হাসপাতাল এবং অনেক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে রোগী, স্বজন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যানবাহন সড়কে রাখতে হচ্ছে, যা যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সিডিএ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তৃতীয় দফায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পার্কভিউ হাসপাতাল, ইবনে সিনা, ডেল্টা হাসপাতাল, ডক্টরস ল্যাব, চিটাগং গ্রামার স্কুল ও চিটাগং আইডিয়াল স্কুলসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ইমারত বিধিমালা ও অনুমোদনসংক্রান্ত বিভিন্ন অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

অভিযানে দেখা যায়, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। কোথাও পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া কিছু ভবনে জরুরি বহির্গমন পথ ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতিও রয়েছে।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, চিটাগং গ্রামার স্কুলে ভর্তির অন্যতম শর্ত নিজস্ব গাড়ি থাকলেও শিক্ষার্থীদের গাড়ি রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। একই অবস্থা অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের। কোথাও অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা হয়নি, আবার কোথাও বিধিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক মাসের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনা, অনুমোদিত নকশা অনুসরণ এবং পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তা না হলে আইন অনুযায়ী সিলগালা বা অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেলায়েত হোসেন আরও বলেন, নগরকে যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে সিডিএ। এর আগে মেট্রোপলিটন মেডিকেল সেন্টার, ন্যাশনাল হাসপাতাল, ম্যাক্স হাসপাতালসহ একাধিক হাসপাতাল এবং কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ভিডিও