চট্টগ্রামের বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। অন্যদিকে চাষের মাছ এখনো উচ্চমূল্য বজায় থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
সোমবার(২২ জুন) বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সামুদ্রিক মাছ কিছুটা সাশ্রয়ী হয়েছে।
সামুদ্রিক মাছের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। পোয়া মাছ আগে যেখানে প্রতি কেজি প্রায় ৫০০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে লইট্টা মাছের দাম ৩০০ টাকা থেকে কমে ২০০ টাকার ঘরে নেমে এসেছে। বিক্রেতাদের ভাষায়, “সমুদ্র খোলার পর গত দুই দিনে সামুদ্রিক মাছের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।”
তবে চাষের মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। রুই মাছ ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতল মাছের দাম আকারভেদে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত উঠছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গ্রাম থেকে আসা চাষের মাছের দামে এখনো কোনো বড় পরিবর্তন আসেনি।
অন্যদিকে ইলিশ মাছ আকারভেদে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি মাছের দামও একই উচ্চপর্যায়ে রয়েছে, প্রতি কেজি ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত।
নগরীর ২ নম্বর গেইটে রাশেদুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, সামুদ্রিক মাছের দাম কিছুটা কমেছে, এটা ভালো খবর। লইট্টা বা পোয়া মাছ কিছুটা সস্তা হওয়ায় কিনতে পারছি, কিন্তু ইলিশ আর চিংড়ির দাম অনেক বেশি। সাধারণ মানুষের জন্য এগুলো এখনো বিলাসী পণ্য হয়ে গেছে।
মাছ বিক্রেতা মো. সেলিম বলেন, সমুদ্র খোলার পর মাছের সরবরাহ বেড়েছে, তাই সামুদ্রিক মাছের দাম কমেছে। তবে চাষের মাছের দাম এখনো সরবরাহ ও খরচের কারণে বেশি রয়েছে।