দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র লোহাগাড়া আমিরাবাদ বাস স্টেশন। ব্যস্ততম এই স্টেশন দিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হাজারো যানবাহন। তবে আজ পর্যন্ত ব্যস্ততম এ মোটর স্টেশনটিতে কোন টার্মিনাল নির্মিত হয়নি।
এমন অবস্থায় দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে সড়কে পার্কিং করে যাত্রাবিরতি দিতে হয়। আবার স্থানীয় যানবাহনগুলোও একই সড়কটিকে ব্যবহার করছে স্টপেজ হিসেবে। এরওপর রয়েছে ভাসমান হকার। এমন পরিস্থিতিতে উপ-শহর খ্যাত আমিরাবাদ বাস স্টেশন এলাকাটিতে যানজট এখন অসহনীয় সমস্যা। এ এলাকায় একটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ আজ সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
স্টার সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী সাত্তার সিকদার জানান, বাস স্টেশনের যানজট নিরসনে একটি বাস টার্মিনাল আবশ্যক। এ ছাড়া গণ-শৌচাগার, একটি গভীর নলকূপ স্থাপন ও ভাসমান হকারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা বরাদ্দ দেয়া অতি জরুরী। তিনি এ ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এ প্রসঙ্গে লোহাগাড়া ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল মন্নান জানান, আমিরাবাদ বাস স্টেশন বর্তমানে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত বাণিজ্যিক এলাকা ও মোটর স্টেশন। এ বাণিজ্যিক এলাকার সমস্যা নিরসনের সরকারের এগিয়ে আসা উচিত।
একই প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমিরাবাদ ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতিনিয়ত অসংখ্য যানবাহন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যাতায়াত করছে। এখানে বাস টার্মিনাল, গণ-শৌচগার ও একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হলে সর্বসাধারণের উপকার হবে।
লোহাগাড়া উপ-শহর পরিচালনা কমিটির আহবায়ক কাজী নুরুল আলম চৌধুরী বলেন, যানজট নিরসনে চলমান সড়ক সংষ্কারের কাজ যেন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
লোহাগাড়া ট্রাফিক বিভাগের টিআই হাসানুজ্জামান মোল্লা’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যানজট নিরসনে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা চলমান। তবে, একদিকে সড়কের সংকীর্ণতা, অন্যদিকে বাস টার্মিনাল নেই। তারওপর স্থানীয় যানবাহন, ত্রিহুইলার চলাচল করছে। এসব যানবাহন যাত্রী উঠানোর জন্য সড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
পূর্বতারা/ইউডি/মোহাম্মদ ইউছুপ