শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইট চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হলেও ফের নুতন শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এ শঙ্কার কারণ ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। সমঝোতায় দুই পক্ষ কোন ধরণের ইতিবাচক সমাধানে আসতে পারেনি।
মধ্যপ্রাচ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধ বিরতি হওয়ার সংবাদে গত শুক্র ও শনিবার (১০ ও ১১ এপ্রিল) বিভিন্ন এয়ারলাইনসের বেশ কয়েকটি ফ্লাইটের চলাচল শুরু হয়। এর মধ্যে যাত্রীবাহী মধ্যপ্রাচ্যের ১৫টি অ্যারাইভাল ও ১১টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল। বাতিল হয়েছে ১০টি ফ্লাইট।
এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ৪টি ডিপার্চার, এয়ার আরাবিয়ার শারজাহর ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার এবং সালাম এয়ারের মাস্কাটের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট ছিল।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই, আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামের ফ্লাইটগুলো স্থবিরতা কিছুটা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা পরবর্তী শাহ আমানত বিমানবন্দরের ২৯৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
পূর্বতারা/ ইউডি