,

 

ত্রিমুখী সমস্যায় গ্যাস, বড় সংকটের শঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : 12 August 2026, 11:57

ত্রিমুখী সমস্যায় জর্জরিত মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল। একদিকে মার্কিন পরিচালিত এক্সিলারেট এনার্জি টার্মিনাল মেরামত কাজের জন্য পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারছে না। অন্যদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সামিট গ্রুপের টার্মিনালে জাহাজ ভিড়তে পারছে না। এর মধ্যে আবার এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে পুনরায় সাময়িকভাবে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য শাটডাউন বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে গ্রিডে আবার কমে গেছে গ্যাস সরবরাহ। এমন অবস্থায় সারা দেশে নতুন করে বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) মো. শোয়েব বলেন, ‘এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা হচ্ছে। তবে বিদ্যমান যে সরবরাহ হচ্ছে সেটি যাতে না কমে সে চেষ্টা চলছে।’

বিষয়টি নিয়ে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড’র উপমহাব্যবস্থাপক (পাইপলাইন ও পুরনির্মাণ বিভাগ) প্রকৌশলী নাহিদ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালটি শাটডাউনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই/তিনদিন পর সেটি আবার আবার চালু করা হবে। ন্যাশনাল গ্রিডের সাথে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা হচ্ছে।

মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) দৈনিক এলএনজি সরবরাহ সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এক্সিলারেট টার্মিনালটি মেরামতের পর চালু হলে সেটি থেকে দৈনিক ২৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে। সামিট গ্রুপের টার্মিনাল থেকে গ্রিডে দৈনিক মাত্র ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস যাচ্ছে। বর্তমানে দুটি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৫৩ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ হচ্ছে। এতে করে মোট চাহিদার অর্ধেকেরও কম গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে সারাদেশে।

ফলে শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগাযোগ খাতসহ গ্যাস নির্ভর বিভিন্ন খাতে গ্যাস সংকট তীব্রতর হচ্ছে।

পূর্বতারা/ইউডি

ভিডিও