চট্টগ্রামের বাকলিয়ার নূর নগর হাউজিং এলাকার কর্ণফুলী পশুর হাটে এবারের কোরবানির মৌসুমে মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে ব্যতিক্রমী দুইটি ‘পিঙ্ক’ মহিষ। অ্যালবিনো বৈশিষ্ট্যের কারণে পুরো শরীর গোলাপি রঙের এই মহিষ দুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা। শিশু-কিশোরদের মধ্যে এ নিয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
ফটিকছড়ির লেলাং থেকে আনা মহিষ দুটি দীর্ঘদিন ধরে লালন-পালন করছেন খামারি মো. নুরুল আলম। তিনি জানান, মহিষ দুটির গায়ের রংই তাদের বিশেষত্ব।
নুরুল আলম বলেন, অনেকে এগুলোকে ট্রাম্প নামেও ডাকছেন, কিন্তু আমি কোনো নাম দিইনি। ভৈরব থেকে তিন বছর আগে মহিষ দুটি কিনে এনেছিলাম। তখন ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। এরপর থেকে নিজের খামারেই খুব যত্ন করে লালন-পালন করেছি।
তিনি আরও জানান, খরচ ও যত্ন বিবেচনায় মহিষ দুটির দাম হাঁকা হচ্ছে সাড়ে ১১ লাখ টাকা। একটির দাম ছয় লাখ, অন্যটির সাড়ে পাঁচ লাখ। তবে এখন পর্যন্ত ক্রেতারা সর্বোচ্চ ছয় থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত দাম দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ১০ লাখ টাকা হলে বিক্রি করে দেব। একসঙ্গে দুটি কেউ কিনলে একটি খাসি ফ্রি দেব।
সরজমিনে দেখা গেছে, হাটে আসা অনেকেই মহিষ দুটির ছবি তুলছেন, ভিডিও করছেন। অনেকে আবার দাম-পরিচর্যা নিয়ে খামারির সঙ্গে কথা বলছেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আলমগীর জানান, এই ধরনের রঙ পরিবর্তন কোনো রোগ নয়।
তিনি বলেন, এগুলো অ্যালবিনো মহিষ। ত্বকে মেলানিন নামক রঞ্জকের তারতম্যের কারণে এমন রঙ দেখা যায়। এটি কোনো রোগ নয়।