মাত্র ৮৩ হাজার হামের টিকা নিয়ে চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে হামের টিকাদান কর্মসূচি। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের ১১টি জেলা ও দুটি সিটি কর্পোরেশনের জন্য ৭৩ লাখ ৭৬ হাজার ২৩৫ ডোজ টিকার চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার থেকে কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলা দিয়ে চট্টগ্রামে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চাহিদা ও সংক্রমনের হার অগ্রাধিকার দিয়ে প্রত্যেকটি এলাকায় টিকা পৌঁছে দেয়া হবে।
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, বর্তমানে আমাদের কাছে ৮৩ হাজার ডোজ মজুত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে আরও প্রায় ২ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন। পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রামের ১১টি জেলা ও দুই সিটি কর্পোরেশন থেকে সমন্বিত ডিমান্ড নোট (চাহিদাপত্র) কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ধাপে ধাপে আমরা ডোজ পাব। দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহায়তা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ১২ লাখ ৪২ হাজার ৭২৯ ডোজ, কক্সবাজারে ৭ লাখ ১০৫ ডোজ, কুমিল্লায় ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৮০ ডোজ, ফেনীতে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ ডোজ, নোয়াখালীতে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৮০ ডোজ, লক্ষ্মীপুরে ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৫২ ডোজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯৩ ডোজ এবং চাঁদপুরে ৬ লাখ ৩ হাজার ৭৭৩ ডোজ।
তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবানে ৯১ হাজার ৭২৩ ডোজ, রাঙামাটিতে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৯০ ডোজ এবং খাগড়াছড়িতে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪১ ডোজ টিকার চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৩ ডোজ এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ৭৮ হাজার ৪৮৪ ডোজ টিকা চাওয়া হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, নতুন ২৮ জনসহ বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮৯ জন। ইতোপূর্বে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দুই শিশুর বাড়ি কক্সবাজার জেলায়।
পূর্বতারা / ইউডি