পবিত্র রমজান মাসজুড়ে দেশের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকায় পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে আবারও পর্যটকের ঢল নামবে বলে আশা করছেন হোটেল-মোটেল ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন।
স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান মাসে সাধারণত মানুষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পারিবারিক ব্যস্ততায় সময় কাটান। ফলে এ সময় কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা কম থাকে। চলতি বছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি।।তবে ঈদ সামনে রেখে নতুন করে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
হোটেল মালিকদের আশা, ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে ভিড় করবেন। ইতোমধ্যে অনেক হোটেলে আগাম বুকিংও শুরু হয়েছে।
কক্সবাজারের পাঁচ তারকা সায়মন বিচ রিসোর্টের মার্কেটিং ম্যানেজার আবদুর রহিম বলেন, রমজানে স্বাভাবিকভাবেই পর্যটক কম থাকে। তবে ঈদের ছুটি শুরু হলে পরিস্থিতি বদলে যায়। ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে এবং আগাম বুকিং শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ জানিয়েছে, ঈদে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকত এলাকায় টহল বাড়ানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনও পর্যটন স্পটগুলোতে নজরদারি জোরদার করবে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজু বিন আফনান বলেন, ঈদের সময় বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে আসেন। তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সমন্বয় সভা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের দীর্ঘ ছুটি ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবার কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা সন্তোষজনক হতে পারে। এতে রমজানে কিছুটা স্থবির থাকা পর্যটন খাত আবারও চাঙা হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন তারা।