ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাননি মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। যে দামে তারা কাঁচা চামড়া কিনেছিলেন আড়তদাররা তার থেকে কম মূল্যে চামড়া কিনেছেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যে কাঁচা চামড়া বিক্রি করতে না পারায় মাথায় হাত পড়েছে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের।
মৌসুমী ব্যবসায়ী জাবেদ ইউসুফ বলেন, ‘আমরা ২০০ পিস চামড়া কিনেছি গড়ে সাড়ে তিনশ থেকে সাড়ে চারশ টাকা করে। কিন্তুু আড়তে ১৫০-২০০ টাকা করে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে। লাভের আশায় চামড়া কিনে এখন লোকসান গুনতে হচ্ছে।
চন্দনাইশের মৌসুমি ব্যবসায়ী আরমান আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বড় ছোট মাঝারি প্রতিটি চামড়া গড়ে চারশ টাকায় কিনছি। কিন্তু মোকামে সে দাম পাইনি। প্রতি চামড়ায় গড়ে ১০০টাকা /১৪০ টাকা করে লোকসান আমাদের। নতুন সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিছে এবার। ভেবেছিলাম এবছর অন্তত পোষাতে পারব । কিন্তু ভাগ্য খারাপ। সরকারের কথার সাথে বাজারের মিল নেই।
কাঁচা চামড়ার আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, চামড়া কিনে পরিষ্কার করে লবণ দিতে হয়। সব মিলিয়ে একটি লবণযুক্ত চামড়া কারখানা পর্যন্ত পৌঁছাতে খরচ পড়ে প্রায় ৪৫০ টাকা। এখন মৌসুমি ব্যবসায়ী যে দামে চামড়া কিনেছে সে দামে নিতে পারছি না।
আতুরার ডিপো এলাকার কাঁচা চামড়ার আড়ত ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়। মাঝারি আকারের চামড়ার দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। আর বড় আকারের চামড়াও বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকায়।
পূর্বতারা/ইউডি