চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভায় সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ দিদারুল আলম। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় পৌর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বনেদি পরিবারের সন্তান দিদারুল আলম ১৯৮৮ সালে ডিগ্রি সম্পন্ন করে ১৯৯০ সালে কর্মজীবনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি মিতসুবিশি কার কোম্পানিতে সেলস ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের দাম্মামে একটি আন্তর্জাতিক স্কুলে অ্যাকাউন্টেন্ট এবং পরে অ্যাকাউন্টেন্ট কাম টিচার হিসেবে কাজ করেন।
দেশে ফিরে তিনি ফার্মাসিস্ট শর্ট কোর্স সম্পন্ন করে নিজ নামে লাইসেন্স গ্রহণ করেন। পরে কলেজ রোড এলাকায় ‘করিম ক্লিনিক’ নামে একটি ফার্মেসি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি সূহৃদ প্রপার্টিস কোম্পানির পরিচালক এবং ‘জাপান বাংলাদেশ ইয়ার্ড’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইঞ্জিন ও মোটর পার্টস আমদানি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।
ব্যবসার পাশাপাশি তিনি নিয়মিতভাবে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছেন। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় তার উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফটিকছড়ি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন তিনি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
দিদারুল আলম বলেন, ফটিকছড়ির উন্নয়ন, পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি আধুনিক, মানবিক ও উন্নত ফটিকছড়ি গড়ে তুলতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান।
পৌর এলাকার সাধারণ জনগণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বলছেন, দিদারুল আলমের বিনয়ী আচরণ, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মানবিক উদ্যোগের কারণে তাকে একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন তারা। সচেতন মহলের মতে, আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে তার ধারাবাহিক জনসম্পৃক্ততা ও উন্নয়ন ভাবনা তাকে একটি শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।