ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই ফলাফল পত্রে পোলিং এজেন্টদের সই নেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনে এক প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তর সাতকানিয়া কালিয়াইশ ইউনিয়নের আলী আহমদ প্রাণহরি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. ফরিদুল আলমকে প্রত্যাহার করা হয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সাতকানিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল প্রকাশের পর পোলিং এজেন্টদের সই নেয়ার নিয়ম থাকলেও ওই প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ভোট চলাকালে নিয়েছেন। সে কারণে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়।
এ বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসার মো. ফরিদুল আলম বলেন, ভুলবশত আগেই সই নেয়া হয়েছে। ইচ্ছে করে এ কাজ করিনি।
কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার তিন হাজার। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট পড়েছিল।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ এবং সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া, কালিয়াইশ, বাজালিয়া, ধর্মপুর ও পুরানগড়) আসনে ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৩১ জন। তারা ১০০টি কেন্দ্রে ভোট দিচ্ছে।
এই আসনের ৮জন প্রার্থী হলেন- বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), এলডিপির ওমর ফারুক (ছাতা), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচএম ইলিয়াছ (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের মো. সোলাইমান (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (ফুটবল) ও শফিকুল ইসলাম রাহী (মোটর সাইকেল)।