,

 

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু ধ্বংস

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : 6 August 2026, 10:00

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ এনার্জি ড্রিংক ও ছাড়পত্রবিহীন শ্যাম্পুসহ পাঁচ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস অকশন শেডে রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।

কাস্টমস সূত্র জানায়, ধ্বংস করা পণ্যের মধ্যে চার কনটেইনারে ছিল ৮৩ টনের বেশি ‘রয়েল টাইগার এনার্জি ড্রিংক’ এবং অপর একটি কনটেইনারে ছিল চার টনের বেশি ব্যক্তিগত পরিচর্যাপণ্য (শ্যাম্পু)।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ধ্বংস কমিটির সিদ্ধান্তে বন্দরে পড়ে থাকা দুই লটের পাঁচ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি জানান, ধ্বংস করা চার কনটেইনার এনার্জি ড্রিংকের উৎপাদনের তারিখ ছিল ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর। পণ্যগুলোর মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থাকায় এসব পণ্য আর বাজারজাত করার উপযোগী ছিল না।

অন্যদিকে, শ্যাম্পুর চালানটির জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি পণ্যগুলোর উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তথ্যও ইনভেন্টরিতে উল্লেখ ছিল না।

কাস্টমস সূত্র জানায়, শ্যাম্পুর চালানটি গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের ‘ম্যাক পয়েন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানি করা হয়েছিল। চালানটির ইনভেন্টরি সম্পন্ন হয় ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি।

অন্যদিকে, চার কনটেইনার এনার্জি ড্রিংকের আমদানিকারক ছিল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ‘গ্লোব সফট ড্রিংক লিমিটেড’। ওই চালানে ১১ হাজার ৫২০টি কেইসে মোট ২ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮০টি ক্যান ছিল।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দরের ইয়ার্ডে নামানোর পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খালাস না নিলে আমদানিকারককে নোটিশ দেওয়া হয়। এরপরও পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তোলার বিধান রয়েছে। নিলামে বিক্রি না হলে বা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।

ভিডিও