সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। চকবাজার তেলের পট্টি থেকে কাপাসাগোলা, বহদ্দারহাট বাদুরতলা, বড় গ্যারেজ, রহমতগঞ্জ, শমসের পাড়া, পাঁচলাইশ কাতালগঞ্জ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকায় হাঁটুপানি জমে গেছে। দীর্ঘ তাপদাহের পর স্বস্তির বৃষ্টিতে জনজীবনে শীতলতা এলেও জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের সৃষ্টি করেছে।
তবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলছেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়নি।’ শুক্রবার তিনি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন। অথচ এসময় নগরীর কোথাও তিনি জলাবদ্ধতা দেথতে পাননি। টানা বৃষ্টির মধ্যে মেয়রের নগর পরিদর্শন নিয়ে চসিকের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই উল্লেখ করেছেন মেয়র।
মেয়র সেখানে উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে। ফলে কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি। খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ফলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। ভবিষ্যতেও নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
বহদ্দারহাট থেকে রেয়াজুদ্দিন বাজার আসার জন্য সিএনজি টেম্পুতে উঠেছিলেন মো. হানিফ। তবে কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন স্কুলের সামনে এসে তাকে গাড়ি থেকে নেমে যেতে হয়। বৃষ্টির কারণে এখানে রাস্তায় হাঁটুর উপর পানি জমেছে।
তিনি জানান, জলাবদ্ধতার কারণে গাড়ি আটকে গেছে। হেঁটে যে রাস্তা পার হব সে ঝুঁকিও নিতে পারছি না। কারণ এখানে খালের কাজ চলছে। কাপাসগোলা ব্রিজের পাশে রাস্তায় বড় গর্ত। গর্তে পড়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে কয়েকদিন আগেও একজন শ্রমিক মারা গেছে। পরে বহদ্দারহাট ফিরে গিয়ে। মুরাদপুর ফ্লাইওভার হয়ে লালখানবাজার,কাজীর দেউড়ি হয়ে নিউমার্কেট এসেছি।
পূর্বতারা/ইউডি