বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ০৪:০৮

চট্টগ্রামের বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ‘ধর্ষণের’ মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। আগামীকাল আরও ১২ জন সাক্ষ্য দিবেন বলে জানা গেছে।

ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, শুরুতে শিশুটির বাবা মামলার বাদী সাক্ষ্য দেন। এরপর শিশুটির নানি, নানা, খালা এবং শিশুটির পরিবার যে কলোনির বাসিন্দা সেখানকার কেয়ারটেকার সাক্ষ্য দেন। তারপর বেলা সোয়া ১টায় নামাজের বিরতিতে যায় আদালত। রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী সাক্ষীদের জেরাও করেন। বিরতির পর আরো ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের করা হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণের বিরতি চলাকালে আসামি মনির হোসেনের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী জি এম জাহেদ হোসেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার সময় শিশুটির বাবা ঢাকায় ছিলেন। মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী শিশুটি নানি। তিনিও ‘আই উইটনেস’ নন। শিশুটির নানি জেরায় জানিয়েছেন, আসামি মনির হোসেন শুরুতে কিছু স্বীকার করেননি। এলাকাবাসী মারধর করে স্বীকারোক্তি নিয়েছে।

আসামি মনির হোসেনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিল সে বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী জি এম জাহেদ হোসেন বলেন, শয়তানের প্ররোচনায় সে এই কাজ করেছে বলেছিল। তবে ধর্ষণ নয়, …। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য ও জেরা করা হলে বুঝা যাবে আসামির কতটুকু দোষ আছে। মেডিকেল অফিসারের সাক্ষ্য ও জেরায় জানা যাবে আসামির প্রকৃত অপরাধ কী। আমরা চাই না কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি সাজা পাক।

প্রসঙ্গত, গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠ সংলগ্ন একটি গুদামকক্ষে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। শিশুটির ডিএনএ রিপোর্ট গ্রহণ এবং ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দি ও ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করেছে পুলিশ। এ মামলার মোট ২২ জনকে সাক্ষী করা হয়।

ভিডিও