ফটিকছড়ি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতা ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কার্যালয়ের সরকারি সম্পত্তি একটি প্রিন্টার মেশিন ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে ফটিকছড়ি এলজিইডি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চাকসু নির্বাচনে তিনি ভিপি পদপ্রার্থী ছিলেন। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার সাথেও যুক্ত। তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম হৃদয় এন্টারপ্রাইজ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা প্রকৌশলী জুনায়েদ আবছার চৌধুরী বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। সমঝোতার চেষ্টা চলছে।
জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ঠিকাদার এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতা উল্লাহর কাছে হিসাব রক্ষক সয়ন বড়ুয়ার ফোন নম্বর জানতে চান। কিন্তু ফোন নাম্বারটি দিতে আতা উল্লাহর একটু দেরি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন তিনি। এ নিয়ে ওই কর্মকর্তার সাথে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন সাজ্জাদ। একপর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আতাউল্লাহর কার্যালয়ে থাকা প্রিন্টারটিতে ভাঙচুর করেন। এতে প্রিন্টারটি ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে যায়। প্রিন্টার ভাঙচুর করেও শান্ত হননি সাজ্জাদ। প্রকৌশলী আতা উল্লাহকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরী হলে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার এলাকার এক কর্মকর্তার (সয়ন বড়ুয়ার) ফোন নাম্বার চাইলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতা উল্লাহ তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি আমার সাথে অহেতুক স্ল্যাং ল্যাংগুয়েজ ইউজ করে। এ সময় উভয়ের মধ্যে কিছু কথা-কাটাকাটির হয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে প্রিন্টার ভাংচুরের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।