চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী আালোচিত বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের মামলাটির ১৮ দিনেই বিচার কাজ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালত বিচার শুরুর আদেশ দেন।
আগামীকাল বুধবার থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত । এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলার ১৮ দিনেই বিচারিক কাজ শুরুর রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
২২ মে মামলা দায়েরের পর ১৩ দিনের মাথায় গত ৪ জুন মামলাটির অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়ে। তদন্ত কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ আদালতে নগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখায় সেটি জমা দেন। রোববার (৬ জুন) চার্জশিট আদালতে দাখিল করে প্রসিকিউশন। গতকাল সোমবার আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে অভিযোগ গঠনের শুনানির নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, আসামি মনির হোসেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন। পরে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। আগামীকাল মামলার বাদীসহ মোট ৯ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপনের জন্য নির্দেশ দেন আদালত।
আসামি মনিরের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। স্পর্শকাতর মামলাটিতে আসামির পক্ষে লড়তে কেউ সম্মত না হওয়ায় রাষ্ট্র আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে বলে জানালেন পিপি মাহমুদ।
অভিযোগ গঠনের আদেশের সময় আসামি মনির হোসেনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।
গত ২১ মে দুপুরে নগরীর বাকলিয়ার নুর হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মনিরকে আটক করে এলাকাবাসী। পরে পুলিশ এসে মনিরকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে স্থানীয়রা। এ নিয়ে পুলিশ-জনতা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।
পরদিন ২২ মে শিশুটির বাবা বাকলিয়া থানায় মনিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামি মনির হোসেনের (৩০) বাড়ি কুমিল্লা। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিনি পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। পেশায় একজন ডেকোরেশন কর্মী।
পূর্বতারা/ইউডি