শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ফজর পড়েই কেন্দ্রে ভোটাররা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে ফজরের নাম পড়েই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন ভোটাররা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ সময় পুরুষের পাশাপাশি দেখা গেছে নারী ভোটারদেরও।

সরজমিনে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডস্থ ভবানীপুর কেন্দ্রে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকেই ভোটকেন্দ্রের সামনে ভিড় করেন ভোটাররা। অনেক কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করছেন পোলিং এজেন্টরা।

যদিও নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভোটাররা কেন্দ্রীয় প্রবেশ করতে পারছেন না। তবে পোলিং এজেন্টদের প্রবেশে কাগজপত্র যাচাইসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি কেন্দ্রের সামনে প্রার্থীদের অস্থায়ী বুথ থেকে ভোটার স্লিপ বিতরণ করা হচ্ছে।

ভোটাররা জানান, দীর্ঘদিন পর সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় তারা আগেভাগেই কেন্দ্রে এসেছেন।

মোহাম্মদ ফারুক নামের এক ভোটার বলেন, অনেক বছর পর ভালো পরিবেশে ভোট হচ্ছে। তাই ফজরের নামাজ পড়েই চলে এসেছি। ভোট শুরুর আগ পর্যন্ত চা-নাস্তা খেয়ে সময় কাটাবো, তারপর ভোট দিয়ে যাবো।

মেহেরুনন্নেসা নামে অপর একজন ভোটার বলেন, নামাজ পড়ে আমরা বাড়ির কয়েকজন ভোটকেন্দ্রে এসেছি। শুরুতেই একটু পরিস্থিতি দেখার জন্য এসেছিলাম এখন ভোটটা দিয়ে চলে যাব। সকালে শুরুতে পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। বয়স হয়েছে যদি কোন ঝামেলা হয় তাই সকালেই ভোটটা দিয়ে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৭ বছর পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন। বাংলাদেশে এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আজ ভোট দিবেন প্রায় ৬৭ লাখ ভোটার। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং ১১৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে তৎপর রয়েছে। বিজিবি ও র‌্যাবের বিশেষ ইউনিট মাঠে তৎপর বলেও সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

রিটার্নিং অফিস সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এক হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ৬৫৩টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশি ভাষায় এসব কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ভিডিও