জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে সাড়ে ৮ শতাংশ ‘ফুয়েল সারচার্জ’ মাশুল বাড়িয়েছে বেসরকারি কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) স্টেক হোল্ডারদের কাছে এ সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠানো হয়।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত অংশ হিসেবে কাজ করে ২১টি বেসরকারি কনটেইনার ডিপো বা অফডক কর্তৃপক্ষ। রপ্তানি পণ্যের শতভাগ আর ৬৪ ক্যাটাগরির আমদানি পণ্য হ্যান্ডলিং করা হয় এই অফডকগুলোতে। বছরে গড়ে ৩ লাখ আমদানি ও সাড়ে ৭ লাখ রপ্তানি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হয় বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে।
এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে বিকডার আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন হয় পড়েছে তৈরি পোশাকখাতের উদ্যোক্তা এবং কনটেইনার-নির্ভর আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে জড়িতরা।
বিজিএমইএর পরিচালক ও ইন্ডিপেনডেন্ট গার্মেন্টসের মালিক এসএম আবু তৈয়ব বলেন, বিকডা স্বতন্ত্র সত্ত্বা নয়। আইসিডি বন্দরের একটি অংশ। ওনারা স্টেক হোল্ডার সমন্বয় না করে তারা এটা করতে পারে না। স্টেক হোল্ডার, বন্দর, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা না করে হঠাৎ করে জ্বালানি সারচার্জ আরোপ করেছে। এতে তৈরি পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা উদ্বিগ্ন। এমনিতেই নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তৈরি পোশাক রপ্তানি খাত। আশাকরি, বিকডা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে।
বিকডার সেক্রেটারি রুহুল আমিন শিকদার জানান, অফডক পরিচালনায় যে সব মেশিনারিজ চলে তার সবগুলোই জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল। সবগুলো অফডক মিলে দৈনিক ৬৫ থেকে ৭০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে অফডক পরিচালনার ব্যয় বেড়ে গেছে। অফডক এককভাবে এটা সামলাতে পারবে না। তাই বাধ্য হয়ে মাত্র সাড়ে ৮ শতাংশ ‘ফুয়েল সার চার্জ’ আরোপ করা হয়েছে।
পূর্বতারা/ইউডি