চট্টগ্রামের নির্বাচনী এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৬৯ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩১ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা নির্বাচনকে উৎসবমুখর এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ও মঙ্গলবার পৃথক দুই আদেশে এই নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। আদেশে সারাদেশে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন বিচারককে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পাওয়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। এ ছাড়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে নির্বাচনী অপরাধের বিচার করবেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা জাতিকে একটি উৎসবমুখর, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে মাঠে নেমেছি। নিরাপত্তার জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত আছে। সেনাবাহিনী আশ্বস্ত করেছে—যেকোনো ঘটনার ক্ষেত্রে ৩–৫ মিনিটের মধ্যে, সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যে মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে। এবার বাংলাদেশ আনসার বাহিনী থেকে শুরু করে র্যাব, বিজিবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী- সব বাহিনীর ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরিমাণ ডেপ্লয়মেন্ট করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে প্রার্থী হয়েছেন ১১৫ জন। এরমধ্যে ১৬ আসনের সব কটিতে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এবারের নির্বাচনে ১৬ আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৪টিতে প্রার্থী দিয়েছে। ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের কারণে চট্টগ্রাম–৫ ও চট্টগ্রাম–১৪ জোটের শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে। তবে পরে চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী–চান্দগাঁও) আসন ছেড়ে দিলেও জামায়াতের প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে ব্যালটে প্রার্থী হিসেবে তার নাম ও প্রতীক থাকবে।