চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ন্যাশনাল ব্যাংকের দায়ের করা একাধিক মামলায় জামিন প্রত্যাশায় আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
জানা গেছে, রবিবার ঢাকার মহানগর আদালতে হাজির হয়ে খলিলুর রহমান জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে বিকেলে তাকে হাতকড়া ও হেলমেট পরিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।
কারাগারে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানান। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পুলিশি পাহরায় তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে পুনরায় তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) খলিলুর রহমানের পক্ষে তার আইনজীবীরা আবারও জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত দ্বিতীয় দফায়ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. মাসুদ হাসান জুয়েল জানান, অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি খলিলুর রহমানকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের আরেক শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সাদ মুসা গ্রুপকে ন্যাশনাল ব্যাংকের দেওয়া ৪৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক রাম প্রসাদ মন্ডল বাদী হয়ে কমিশনের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন। এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলায় সিকদার গ্রুপের চার পরিচালক- রন হক সিকদার (ব্যবস্থাপনা পরিচালক), তার ভাই রিক হক সিকদার, মা মিসেস মনোয়ারা সিকদার ও বোন সাবেক সংসদ সদস্য পারভীন হক সিকদারকে আসামি করা হয়। এছাড়া সাবেক পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীমের নামও আছে আসামির তালিকায়।