রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বন্দরে কর্মবিরতি চলমান, আরো ১২ কর্মচারী বদলি

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৭

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটরকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ সোমবারও কর্মবিরতি কর্মসূচি চলছে। দ্বিতীয় দিনের মতো চলমান এই অচলাবস্থার কারণে বন্দরে কন্টেইনার ও পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এদিকে আরো ১২ জন কর্মচারীকে বদলির আদেশ দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে মোট ১৬ জন কর্মচারীকে বদলি করা হলো।

বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে। সব শ্রমিক সংঘঠন ও বন্দর ব্যবহারকারীদের এই আন্দোলনে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। গতকাল রোববার বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবীর।

এদিকে গতকাল (রোববার) চট্টগ্রাম বন্দরের চিফ পারসোনেল অফিসারের সই করা দুইটি পৃথক আদেশে আরো ১২ জন কর্মচারীকে বদলি করা হয়। এই নিয়ে মোট ১৬ জন কর্মচারীকে বদলি করা হলো।

বন্দর সূত্র জানিয়েছে, দুইটি আদেশের একটিতে ৭জন এবং অপরটিতে ৫জনকে বদলি করা হয়। বদলিকৃত কর্মচারীরা হচ্ছেন, পরিবহন বিভাগের উচ্চ বহিঃসহকারী মোহাম্মদ শফিউদ্দিন ও রাশিদুল ইসলাম, পরিকল্পনা বিভাগের স্টোনো টাইপিস্ট মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিভাগের এসএস পেইন্টার হুমায়ুন কবির, প্রশাসন বিভাগের উচ্চমান সহকারী শাকিল রায়হান, যান্ত্রিক বিভাগের ইসিএম ড্রাইভার মানিক মিজি এবং প্রকৌশল বিভাগের মেসন মোহাম্মদ শামসু মিয়া, পরিবহন দপ্তরের উচ্চ বহিঃসহকারী আবদুল্লাহ আল মামুন, মাতারবাড়ি উন্নয়ন প্রকল্পের স্টেনো টাইপিস্ট খন্দকার মাসুদুজ্জামান, যান্ত্রিক বিভাগের ইসিএম ড্রাইভার মোহাম্মদ লিয়াকত আলী ও আমিনুর রসূল বুলবুল এবং যান্ত্রিক বিভাগের খালাসি মোহাম্মদ রাব্বানী। তাদের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও আইসিটি ও কমলাপুর আইসিডিতে একই পদে বদলি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন বলেন, কর্তৃপক্ষ জোর করে আন্দোলন দমাতে আগে ৪ জন এবং আজকে ১২ জনকে বদলি করেছে। তিনি অবিলম্বে এ অন্যায় বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বন্দর পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এ বদলি করা হয়েছে।

ভিডিও