লালদীঘির মাঠ। ব্যানারে লেখা— ‘বিশাল জনসমাবেশ’। মাঠজুড়ে সারি সারি চেয়ার। কিন্তু অধিকাংশই খালি। যদিও ‘বিশাল জনসমাবেশ’ লেখা, বস্তবে জনশূন্য বিকেল। বলছি, চট্টগ্রাম-৯ আসনে জনতার দলের কলম প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হায়দার আলী চৌধুরীর জনসমাবেশের কথা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া এই জনসভায় মঞ্চে একের পর এক বক্তা বক্তব্য দিলেও মাঠ থেকে কোনো সাড়া বা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। বেশিরভাগ সময় বক্তাদের বক্তব্যের বিপরীতে দর্শকসারিতে নীরবতা ও খালি চেয়ারই চোখে পড়েছে।
জনসভার ব্যানারে ‘বিশাল জনসমাবেশ’ লেখা থাকলেও মাঠজুড়ে সারি সারি চেয়ার ছিল ফাঁকা, সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।
এসময় কথা হয় লালদীঘি মাঠের ফুটপাতের পথচারী ইয়াকুব বলেন, ‘ভাবছিলাম বড় কোনো সমাবেশ হবে। কাছে এসে দেখি বেশিরভাগ চেয়ারই ফাঁকা। এটা তো বিশাল জনসমাবেশের চিত্র না। লালদীঘিতে আগে অনেক বড় বড় সভা দেখেছি। আজকেরটা দেখে মনে হলো বক্তৃতা আছে, জনতা নেই।’

রিকশাচালক ফরিদ বলেন, ‘মাইক অনেক জোরে বাজতেছে, কিন্তু মানুষ নাই। মানুষ না থাকলে এত আয়োজন কাদের জন্য? ব্যানারে ‘বিশাল জনসমাবেশ’ লেখা দেখে রিকশা থামিয়েছি। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখি ফাঁকা চেয়ারই বেশি।’
দলের নেতারা বক্তব্যে পরিবর্তন, সুশাসন ও জনতার রাজনীতির কথা বললেও মাঠে উপস্থিতির চিত্র সেই দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান জানান দিতে যে গণজোয়ার প্রয়োজন, এই জনসভা তা প্রতিফলিত করতে পারেনি।