চট্টগ্রামের পটিয়ার রাজনীতিতে নতুন মোড়। জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এলডিপি’র মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে এয়াকুব ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এম এয়াকুব আলী এ ঘোষণা দেন। তিনি ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে এম এয়াকুব আলী জানান, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের সমর্থনে তিনি এলডিপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ছিল ছাতা।
তিনি বলেন, মনোনয়নসংক্রান্ত জটিলতায় তাঁকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। প্রতীক চূড়ান্তভাবে পেতে দেরি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করা সম্ভব হয়নি। এতে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে।
অল্প সময় হাতে থাকায় নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একই সঙ্গে তিনি ১১ দলীয় জোটের অন্যতম প্রধান শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে পটিয়ার স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা বলেন, এম এয়াকুব আলী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
অন্যদিকে এলডিপির নেতাকর্মীরা বলেন, রাজনীতিতে ব্যক্তিগত প্রার্থিতার চেয়ে জোটের বৃহত্তর স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ। ১১ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট রাখতে এম এয়াকুব আলীর সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।