শেরপুর-৩ আসনে এক জামায়াত নেতাকে হত্যা ও দেশব্যাপী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামি ছাত্রশিবির।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার সময় চবি জিরো পয়েন্ট মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করে সংগঠনটি।
বিক্ষোভ মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে শাহজালাল হল, সোহরাওয়ার্দী মোড়, আলাওল হল, এ এফ রহমান হল, ট্রান্সপোর্ট দপ্তর হয়ে জিরো পয়েন্ট মোড়ে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে নেতাকর্মীরা- খুনিদের সামলা, লন্ডনের কামলা’, ‘আমার ভাই শহিদ কেন, কামলা তারেক জবাব দে’, ‘আমার ভাই মরল কেন, খাম্বা তারেক জবাব দে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
মিছিল পরবর্তী অবস্থান কর্মসূচিতে চবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ৫ আগস্টের পূর্বে আওয়ামীলীগ তাদের পোষা ছাত্রলীগ যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলো সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছিল, যাদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ ছিল না। একই সিলসিলায় এগোচ্ছে ছাত্রদল, বিএনপি এবং যুবদল। আমরা তাদেরকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, ৫ আগস্টে আমরা যেভাবে রক্ত দিয়ে সন্ত্রাসীদেরকে বিতাড়িত করেছি আপনাদেরকে একইভাবে বিতাড়িত করব ইনশাল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, নিজেদের দলীয় কোন্দলের মাধ্যমে আপনারা যে হত্যাকাণ্ডের সূচনা করেছিলেন, আজ দলীয় হত্যার পরিসর ছাড়িয়ে আপনারা প্রমাণ করেছেন, আপনারা খুনি হাসিনার বাহিনীতে পরিণত হতে যাচ্ছেন। তাদের নেতা লন্ডন থেকে দেশে এসে বলেছেন, আই হ্যাভ এ প্ল্যান, তার কী প্ল্যান তা আজ এ হত্যার মধ্যদিয়ে দেশের মানুষ দেখতে পেয়েছে। আমরা তার এ মানুষ মারার প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে দিব না। এছাড়াও আজকের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি তার বক্তব্য এবং বিক্ষোভ মিছিল শেষ করেন।
ইসলামী ছাত্রশিবির চবি শাখা অফিস সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ বলেন, একের পর এক হত্যার পর আজকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও তারা মানুষ হত্যা শুরু করেছে। আমরা মনে করেছিলাম, তাদের নেতা দেশে আসার পর সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করবেন, কিন্তু তারা একের পর এক বিরোধী দলের প্রার্থীর উপর, নারীদের উপর হামলা করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, যেই দলের প্রধান ছিলেন একজন নারী সেই দলের পুরুষরা কীভাবে নারীদের উপর হামলা করতে পারে? তাদের নেতা সারা দেশে বিভিন্ন বক্তব্য দেন, কিন্তু এসব হামলা মামলার বিরুদ্ধে কিছু বলেন না। এতে প্রমাণিত হয় তাদের দেশনেতার পরিকল্পনায় তারা হামলা শুরু করেছে।