বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর একটি— ফেসবুকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফেসবুকে প্রকাশিত কনটেন্টের সংখ্যার বিচারে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ওপরে অবস্থান করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষণভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘সোশ্যাল ব্লেড’ প্রকাশিত শীর্ষ ১শ ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তার অবস্থান ৬৭ নম্বরে। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান ৭৬ নম্বরে।
সোশ্যাল ব্লেডের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ বলতে তাদেরই বোঝানো হয়, যাদের ঘিরে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি পোস্ট, আলোচনা ও কনটেন্ট প্রকাশিত হয়। সোশ্যাল ব্লেডের এই তালিকা মূলত ফেসবুকে কোন ব্যক্তি বা পেজকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি কনটেন্ট প্রকাশিত হচ্ছে— সেই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি। অর্থাৎ এখানে কনটেন্ট নির্মাতা বলতে কেবল নিজে পোস্ট দেওয়া নয়, বরং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পেজকে ঘিরে অন্য ব্যবহারকারীদের তৈরি বিপুল সংখ্যক পোস্ট, আলোচনা, শেয়ার ও প্রতিক্রিয়াকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এই মানদণ্ডে তারেক রহমান বর্তমানে বিশ্বের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও সেলিব্রিটিদের কাতারে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিসংখ্যান নয়; বরং এটি তারেক রহমানকে ঘিরে বৈশ্বিক আগ্রহ ও আলোচনা বৃদ্ধির একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার ভূমিকা, বক্তব্য, রাজনৈতিক অবস্থান এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে তার নাম ঘিরে যে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে— তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ফেসবুকভিত্তিক এই বিশ্লেষণে।
তথ্য অনুযায়ী, তার ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা সাড়ে ৫ মিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছে। এর পাশাপাশি ‘আলোচনায় আছে’ সূচকেও তাঁর পেজ দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ শুধু অনুসারীর সংখ্যা নয়, সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আলোচনার ক্ষেত্রেও তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত দৃশ্যমান। রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের সক্রিয়তা সাধারণত বিরল বলেই মনে করা হয়।
সোশ্যাল ব্লেড মূলত একটি স্বাধীন বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম, যা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উন্মুক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে র্যাঙ্কিং ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে।