বাংলাদেশ–মায়ানমার সীমান্তে চলমান হত্যাকাণ্ড, গোলাবর্ষণ ও সীমান্তবাসীর নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— সীমান্তে নিহত সকল বাংলাদেশির নামসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ এবং এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। একই সঙ্গে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তৃতীয় দফায় সীমান্তে স্থায়ী নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় স্থায়ী সেনা ও বিজিবি ক্যাম্প বৃদ্ধি, ড্রোন, রাডার ও নাইট ভিশনের মাধ্যমে আধুনিক নজরদারি এবং গোলাবর্ষণের ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ ও জবাবের সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কথা উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া জেলে ও সীমান্তবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আটক বা নিখোঁজ জেলেদের দ্রুত উদ্ধারে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ, নিহত ও আহত পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন এবং জেলেদের জন্য নিরাপদ মৎস্য আহরণ অঞ্চল নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সাইফুল ইকবাল ও হাসান আল শাহারীয়ার এবং সাবেক সমন্বয়ক চৌধুরী সিয়াম ইলাহী। সংহতি প্রকাশ করেন চট্টগ্রামের ছাত্রনেতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন দরগাহ্-এর উদ্যোক্তা নূরে আবরার রাজিন এবং ছাত্রনেতা যায়ান আহমেদ রণি।