সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মাইজভাণ্ডারী একাডেমির দেড় যুগপূর্তি শিশু-কিশোর সমাবেশে প্রাণের উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪১

সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের অন্যতম মঞ্চ মাইজভাণ্ডারী একাডেমির শিশু-কিশোর সমাবেশের উদ্যোগে আয়োজিত দেড় যুগপূর্তি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল হাই স্কুল মাঠে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নসরুল কদির। দিনব্যাপী এই আয়োজনে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক শিশু-কিশোর অংশগ্রহণ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, বর্তমান বিশ্ব প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব স্বকীয়তা ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে। শিক্ষাজীবন থেকেই প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি করা গেলে তারা ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে মাইজভাণ্ডারী একাডেমি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশে প্রবর্তিত ত্বরিকা— ত্বরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী ও ১২০তম বার্ষিক উরস শরিফ উপলক্ষে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিশু-কিশোর সমাবেশ উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক এইচ এম রাশেদ খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ট্রাস্টের সচিব অধ্যাপক এ এম ওয়াই এমডি জাফর। তিনি বলেন, মাইজভাণ্ডারী মহাত্মাদের আদর্শে গড়ে ওঠা শিশুরাই আগামীর মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণ করবে।

ক্বিরাত, হামদ-না’ত, মাইজভাণ্ডারী সংগীত, নজরুল ও রবীন্দ্র সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান, চিত্রাঙ্কন, কনটেন্ট রাইটিং ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রসহ ১৯টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

ভিডিও