অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম বিভাগ।
রোববার (৩০ নভেম্বর) চট্টগ্রাম ই–ফ্যামিলি কোর্ট উদ্বোধন উপলক্ষে আগত আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবিগুলো উপস্থাপন করেন।
নেতৃবৃন্দ জানান, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিচার বিভাগের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও তারা বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের মতো পদ-পদবী পরিবর্তন, বেতন স্কেল নির্ধারণ এবং সার্ভিস স্ট্রাকচারের সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত না হওয়ায় বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে— এ অভিযোগও তুলে ধরেন তারা।
এ সময় আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা দাবিগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন, মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলামসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্তরের বিচারকবৃন্দ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এনামুল হক আকন্দ এবং বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন ও চট্টগ্রাম জজশীপ কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ— চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন পারভেজ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোহাং শামসুল হক, জজশীপ কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি বিপ্লব কান্তি দাশ ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু সাইদ, সহ-সভাপতি মো. ইলিয়াস, বিপ্লব কুমার দাশ, আবু বকর প্রমুখ।