জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত ২০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মধ্যে র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ১৩ জন ও জেলা পুলিশ ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, শুক্রবার ২৭ মার্চ র্যাব-৭ ও র্যাব-১১ নারায়ণঞ্জ’র যৌথ অভিযানে নোয়াখালী কবিরহাট থানার নবগ্রাম এলাকা থেকে আসামি মো. পারভেজকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। একইদিন পাহাড়তলী উদালিয়া এলাকা থেকে মো. বেলাল (৩০), বায়েজিদ বোস্তামী শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকা থেকে সাইদুল ইসলামকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। পৃথক পৃথক অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ২০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা গেছে, ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ড ফৌজদারহাট থেকে মো. মিজানুর রহমান সোহান (১৯), গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টলী থেকে মো. সেলিম (৩৫), গত ১০ ফেব্রুয়ারি চান্দগাঁও ফরিদার পাড়া থেকে মো. সেকেন্দার মিয়া প্রকাশ ইয়াকুব (৪৩), গত ২২ জানুয়ারি বায়েজিদ বোস্তামী ইকবাল কনভেনশন হল এলাকা থেকে মো. ইউনুছ আলী হাওলাদারকে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ইউনুছ আলী হাওলাদারের দেওয়া তথ্যে পতেঙ্গা ওয়াসা গলি এলাকা থেকে মামলার ২৬ নম্বর খন্দকার জাহিদ হোসেনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া, চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫ কক্সবাজার এর যৌথ দল কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে আলীরাজ হাসান প্রকাশ সাগর (২৮), ২৫ জানুয়ারি খুলশী ইস্পাহানি মোড় থেকে মো. মিজান (৫৩), ২৬ জানুয়ারি বায়েজিদ বোস্তামী বগুড়া নিবাস এলাকা থেকে মো. মামুন (৩৮), ২৮ জানুয়ারি সীতাকুণ্ড সালেহা কটন মিল এলাকা থেকে মো. শহাজাহান (৫৩), ২৯ জানুয়ারি আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি থেকে মো. শফিকুল ইসলাম প্রকাশ মাস্টার শফিকুল ইসলামকে (৫১) গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনাকালে দুষ্কৃতিকারীরা র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় র্যাব কর্মকর্তা ডিএডি আবদুল মোতালেব নিহত হন। গুরুতর আহত হন আরও তিন র্যাব সদস্য । ২২ জানুয়ারি র্যাব-৭ চট্টগ্রাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে।