শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

জঙ্গল সলিমপুর অভিযানে ২২ জন গ্রেপ্তার : ডিআইজি

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ০২:২৩

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২২ জন গ্রেপ্তার ও বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি করেছেন উল্লেখ করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে জঙ্গল সলিমপুর অভিযান বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।

আহসান হাবীব পলাশ বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সাথে অভিযানে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১টি বিদেশি পিস্তল,১টি দেশি পিস্তল, ১টি এলজি, ২৭টি পাইপগান,১টি এয়ারগান, ১১১৩ রাউন্ড গুলিসহ সমূহ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এখানে যেসব সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা ছিল সেগুলো নিস্ক্রিয় করে দেয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীরা যেসব পয়েন্ট থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করত সেগুলো বিনষ্ট করে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এখানে পুলিশ ও র‌্যাবের দুটি ক্যাম্প করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পে জেলা পুলিশ ও এপিবিএন এর মোট ১৩০ জন সদস্য এবং আলী নগর উচ্চ বিদ্যালয় আরআরএফ, এপিবিএন এবং র‌্যাব ৭এর মোট ২৩০ জন সদস্য রয়েছে। পাশাপাশি জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট ও পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে যৌথ অভিযানে অংশগ্রহণকারী অভিযানটি চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মো: আহসান হাবীব পলাশ, বিপিএম-সেবা মহোদয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এ সময় র‌্যাব-৭ এর সিও লে. কর্ণেল মো: হাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: নাজিমুল হক এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর (ছিন্নমূল/আলীনগর) এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান সন্ত্রাসী কার্যক্রম, অবৈধ অস্ত্র মজুদ, পাহাড় কেটে প্লট বিক্রি এবং অপরাধীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

জঙ্গল সলিমপুরে ৯ মার্চ ভোর সাড়ে ৫ টা থেকে যৌথবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), এপিবিএন, আরআরএফসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বমোট ৩,১৮৩ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযানে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযান পরিচালনায় ৩টি হেলিকপ্টার, ১৫টি এপিসি, র‌্যাব ও সিএমপি’র ৩টি ডগ স্কোয়াড এবং ১২টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়।

ভিডিও