খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী ও বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে এ মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম–১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, আমাদের কর্মী সমর্থকরা গণসংযোগে বের হয়। মিছিল নিয়ে তাদের (বিএনপি) অফিস অতিক্রম করার সময় তারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে হামলা করে। প্রথমে পাথর নিক্ষেপ করে। আমাদের ৭ জন কর্মী আহত হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে ফেলেছে। মিছিলে না থাকা সত্ত্বেও একজন শিক্ষককে জামায়াত করে বলে মাথা ফাটিয়ে গুরুতর আহত করে। গোলাম মর্তজুা মোরশেদ নামে একজনের নাকের হাড় ভেঙে গেছে। মোট তিনজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
হেলালী বলেন, আমি কনসার্ন সব সংস্থাকে জানিয়েছি। আমরা প্রশাসনের উপর আস্থা রাখতে চাই। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া না হয়, তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যবস্থা নেব।
এ বিষয়ে নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এস কে খোদা তোতন বলেন, আমাদের লোকজন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ–এর অফিসে বসে আড্ডা দিচ্ছিল। এসময় টাইগারপাস এলাকা থেকে বহিরাগতরা মিছিল নিয়ে এসে অতির্কিত ভাবে অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং আমাদের লোকদের মারধর করে। তখন আমাদের লোকজন প্রতিরোধ করে। তখন দুইপক্ষে মারামারি হয়েছে। এখন জামায়াত যদি দাবি করে তারা জামায়াত, তাহলে বসে সমাধান করা যাবে। তিনি বলেন, লোকাল জামায়াতের লোক হলে তো ওরা চিনত। লোকাল কেউ না হওয়ায় চিনতে পারেনি।